সিরাতুল মুস্তাকিম অ্যাপ ডাউনলোড করুনGoogle Play
الٓمٓرۚ تِلۡكَ ءَايَٰتُ ٱلۡكِتَٰبِۗ وَٱلَّذِيٓ أُنزِلَ إِلَيۡكَ مِن رَّبِّكَ ٱلۡحَقُّ وَلَٰكِنَّ أَكۡثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يُؤۡمِنُونَ
অর্থ: আলিফ-লাম-মীম-রা।(১) এগুলো কিতাবের (আল-কুরআনের) আয়াত। আর তোমার রবের পক্ষ থেকে তোমার ওপর যা কিছু নাযিল হয়েছে তা সত্য; কিন্তু অধিকাংশ মানুষই (তার ওপর) ঈমান আনে না।
তাফসীর: ১. আলিফ-লাম-মীম-রা। সূরা বাকারার শুরুতে এ জাতীয় বিক্ষিপ্ত বর্ণাবলীর ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। হে রাসুল! এ সূরার মর্যাদাপূর্ণ আয়াতগুলো আর যে কুর‘আনকে আল্লাহ তা‘আলা আপনার উপর নাযিল করেছেন সেটি এমন সত্য যাতে কোন সন্দেহ নেই এবং তা যে আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে তাতেও কোন সংশয় নেই। তবে অধিকাংশ মানুষ অহঙ্কার ও গাদ্দারিবশত সেটির উপর ঈমান আনে না।
(১) এই অক্ষরগুলো এবং এর অনুরূপ অন্যান্য অক্ষরসমূহ, যা কুরআনের কিছু সূরার শুরুতে এসেছে, এগুলোকে হুরূফে মুকাত্তা‘আত তথা কতগুলো বিচ্ছিন্ন বর্ণ দ্বারা গঠিত এক-একটা বাক্য বলে। এগুলো আল-কুরআনের অলৌকিকতার প্রতি ইঙ্গিত করে। মুশরিকরা এর দ্বারা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছিল এবং তারা এর মোকাবিলা করতে অক্ষম ছিল; যদিও এগুলো আরবী ভাষার কতগুলো অক্ষর দিয়েই গঠিত। আরবদের – তারা সর্বাধিক বিশুদ্ধ বাগ্মী হওয়া সত্ত্বেও - এর অনুরূপ কিছু রচনা করতে অক্ষমতাই প্রমাণ করে যে কুরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিলকৃত।
ٱللَّهُ ٱلَّذِي رَفَعَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ بِغَيۡرِ عَمَدٖ تَرَوۡنَهَاۖ ثُمَّ ٱسۡتَوَىٰ عَلَى ٱلۡعَرۡشِۖ وَسَخَّرَ ٱلشَّمۡسَ وَٱلۡقَمَرَۖ كُلّٞ يَجۡرِي لِأَجَلٖ مُّسَمّٗىۚ يُدَبِّرُ ٱلۡأَمۡرَ يُفَصِّلُ ٱلۡأٓيَٰتِ لَعَلَّكُم بِلِقَآءِ رَبِّكُمۡ تُوقِنُونَ
অর্থ: আল্লাহই সেই সত্তা, যিনি আকাশসমূহকে স্তম্ভ ছাড়াই উত্তোলন করেছেন, যেমনটি তোমরা দেখছ। তারপর তিনি আরশের ওপর উঠেছেন। আর তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে (তাঁর সৃষ্টির উপকারের জন্য নির্দিষ্ট বিধানের) অনুগত করেছেন। এর প্রত্যেকটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চলবে। তিনি সবকিছু পরিচালনা করেন। তিনি (তাঁর ক্ষমতার প্রমাণ বহনকারী) নিদর্শনসমূহ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমাদের রবের সাক্ষাতের ব্যাপারে তোমরা দৃঢ়বিশ্বাসী হতে পার।
তাফসীর: ২. তিনি আল্লাহ যিনি আকাশগুলোকে দৃশ্যমান কোন খুঁটি ছাড়া উঁচু করে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি কোন ধরন ও দৃষ্টান্ত ছাড়া তাঁর সাথে মানানসই সুমহান আরশের উপর সুউচ্চ ও সমুন্নত হয়েছেন। তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে তাঁর সৃষ্টির উপকারের জন্য অনুগত করেছেন। সূর্য ও চন্দ্রের প্রত্যেকেই আল্লাহর জানা সীমিত সময় পর্যন্ত চলতে থাকবে। তিনি তাঁর ইচ্ছামতো আকাশ ও জমিনে আদেশ জারি করেন এবং তাঁর ক্ষমতা বুঝায় এমন নিদর্শনসমূহ বর্ণনা করেন। যাতে তারা কিয়ামতের দিন তাদের প্রতিপালকের সাক্ষাতে দৃঢ় বিশ্বাসী হয় এবং সে জন্য নেক আমলের মাধ্যমে প্রস্তুতি গ্রহণ করে।
وَهُوَ ٱلَّذِي مَدَّ ٱلۡأَرۡضَ وَجَعَلَ فِيهَا رَوَٰسِيَ وَأَنۡهَٰرٗاۖ وَمِن كُلِّ ٱلثَّمَرَٰتِ جَعَلَ فِيهَا زَوۡجَيۡنِ ٱثۡنَيۡنِۖ يُغۡشِي ٱلَّيۡلَ ٱلنَّهَارَۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّقَوۡمٖ يَتَفَكَّرُونَ
অর্থ: আর তিনিই জমিনকে (তোমাদের জন্য) বিস্তৃত করেছেন এবং তাতে সৃষ্টি করেছেন সুদৃঢ় পর্বতমালা ও নদ-নদী। আর প্রত্যেক প্রকারের ফল তিনি জোড়ায় জোড়ায় করে সৃষ্টি করেছেন। তিনি দিনকে ঢেকে দেন রাত দিয়ে। নিশ্চয় এসবের (সৃষ্টিজগতের বিভিন্ন বৈচিত্র্যের ) মাঝে রয়েছে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শনাবলি।
তাফসীর: ৩. তিনিই জমিনকে বিস্তৃত করে সেখানে স্থিতিশীল পাহাড় সৃষ্টি করেছেন। যাতে তা মানুষকে নিয়ে হেলে না যায়। তিনি পশুদের নর-মাদির ন্যায় প্রত্যেক প্রকারের ফল জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন। তিনি দিনকে রাতের পোশাক পরিয়ে দেন। ফলে তা আলোকিত থাকার পর আবারো অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়। উল্লিখিত এ সবে আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা ও গবেষণাকারীদের জন্য বিশেষ দলীল ও প্রমাণ রয়েছে। কারণ, তারাই এ দলীল ও প্রমাণ দ্বারা লাভবান হয়ে থাকে।
وَفِي ٱلۡأَرۡضِ قِطَعٞ مُّتَجَٰوِرَٰتٞ وَجَنَّٰتٞ مِّنۡ أَعۡنَٰبٖ وَزَرۡعٞ وَنَخِيلٞ صِنۡوَانٞ وَغَيۡرُ صِنۡوَانٖ يُسۡقَىٰ بِمَآءٖ وَٰحِدٖ وَنُفَضِّلُ بَعۡضَهَا عَلَىٰ بَعۡضٖ فِي ٱلۡأُكُلِۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّقَوۡمٖ يَعۡقِلُونَ
অর্থ: আর জমিনে রয়েছে পরস্পর সংলগ্ন বিভিন্ন ভূখণ্ড, আঙ্গুর-বাগান, শস্যক্ষেত, একই মূল থেকে উদ্গত বা ভিন্ন ভিন্ন মূল থেকে উদ্গত খেজুর গাছ, যেগুলো একই পানি দ্বারা সিক্ত হয়, আর স্বাদ ও অন্যান্য উপকারের ক্ষেত্রে আমরা একটিকে অপরটির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়ে থাকি। বুদ্ধিমান সম্প্রদায়ের জন্য এর মধ্যে নিদর্শনাবলি রয়েছে।
তাফসীর: ৪. জমিনে পরস্পর সংলগ্ন বিভিন্ন ভ‚খÐ রয়েছে। তাতে আরো রয়েছে আঙ্গুরের বাগান, শস্যক্ষেত, একই মূল থেকে বেড়ে উঠা খেজুর গাছ এবং বিভিন্ন মূল বিশিষ্ট খেজুর গাছসমূহ। এ বাগান ও শস্যক্ষেতগুলো একই পানি দ্বারা সিক্ত। সেগুলো একই পানি দ্বারা সিক্ত এবং পরস্পর নিকটবর্তী হওয়া সত্তে¡ও আমি সেগুলোর কিছুকে অন্যের উপর স্বাদ ও অন্যান্য উপকারের ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। নিশ্চয়ই এ সবের মধ্যে বুদ্ধিমান জাতির জন্য বিশেষ দলীল ও প্রমাণ রয়েছে। কারণ, এরাই তো এগুলো দ্বারা উপদেশ গ্রহণ করে।
۞ وَإِن تَعۡجَبۡ فَعَجَبٞ قَوۡلُهُمۡ أَءِذَا كُنَّا تُرَٰبًا أَءِنَّا لَفِي خَلۡقٖ جَدِيدٍۗ أُوْلَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ بِرَبِّهِمۡۖ وَأُوْلَٰٓئِكَ ٱلۡأَغۡلَٰلُ فِيٓ أَعۡنَاقِهِمۡۖ وَأُوْلَٰٓئِكَ أَصۡحَٰبُ ٱلنَّارِۖ هُمۡ فِيهَا خَٰلِدُونَ
অর্থ: আর (হে রাসূল!) তুমি যদি কোন কিছুতে আশ্চর্যবোধ করো, তবে বেশি আশ্চর্যজনক হলো তাদের এ কথা: ‘(মৃত্যুর পরে) আমরা যখন মাটি হয়ে যাব, তখন কি আমরা নতুন সৃষ্টিতে পরিণত হব!’ এরাই তারা, যারা (মৃত্যুর পর পুনরুত্থানকে অস্বীকার করে) তাদের রবের সাথে কুফরী করেছে, আর (কিয়ামতের দিন) ওদের গলায় থাকবে শিকল এবং তারা হবে জাহান্নামের অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে।
তাফসীর: ৫. হে রাসূল! আপনি যদি কোন কিছুতে আশ্চর্য হোন তাহলে বেশি আশ্চর্য হওয়ার উপযুক্ত হলো তাদের পুনরুত্থান অস্বীকার ও তার প্রমাণে এমন কথা বলা যে, আমরা যখন মরে মাটি ও পুরনো জীর্ণ-শীর্ণ হাড়ে পরিণত হবো তখনো কি আমাদেরকে আবারো জীবিত পুনরুত্থিত করা হবে?! এ মৃত্যুর পর পুনরুত্থানে অবিশ্বাসীরাই নিজেদের প্রতিপালকের সাথে কুফরি করে মৃতদেরকে পুনরুত্থানে তাঁর ক্ষমতাকে অস্বীকার করেছে। এদের গলাতে কিয়ামতের দিন আগুনের শিকলসমূহ পরানো হবে এবং তারাই হবে জাহান্নামের অধিবাসী। তাতে তারা চিরকাল থাকবে। না তারা নিঃশেষ হবে, না তাদের শাস্তি বন্ধ হবে।
وَيَسۡتَعۡجِلُونَكَ بِٱلسَّيِّئَةِ قَبۡلَ ٱلۡحَسَنَةِ وَقَدۡ خَلَتۡ مِن قَبۡلِهِمُ ٱلۡمَثُلَٰتُۗ وَإِنَّ رَبَّكَ لَذُو مَغۡفِرَةٖ لِّلنَّاسِ عَلَىٰ ظُلۡمِهِمۡۖ وَإِنَّ رَبَّكَ لَشَدِيدُ ٱلۡعِقَابِ
অর্থ: আর তারা (মুশরিকরা) তোমার কাছে কল্যাণ আসার আগেই অকল্যাণের (শাস্তির) জন্য তাড়াহুড়া করে; অথচ তাদের পূর্বে (অনুরূপ মিথ্যারোপকারী লোকদের) বহু শাস্তির দৃষ্টান্ত গত হয়েছে। আর নিশ্চয় তোমার রব মানুষের প্রতি তাদের যুলম-সীমালঙ্ঘন সত্ত্বেও ক্ষমাশীল এবং নিশ্চয় তোমার রব কঠিন শাস্তিদাতা।
তাফসীর: ৬. হে রাসূল! মুশরিকরা আপনার নিকট দ্রæত শাস্তি কামনা করছে। আল্লাহ তা‘আলা তাদের জন্য যে নিয়ামতগুলো বরাদ্দ করেছেন তা পরিপূর্ণরূপে পাওয়ার আগেই তারা নিজেদের প্রতি শাস্তি নাযিল হওয়াকে দূরে ভাবছে। অথচ তাদের আগে তাদের মতো মিথ্যারোপকারী জাতির শাস্তি এসে গিয়েছে। কিন্তু তারা সেগুলো থেকে কেন শিক্ষা গ্রহণ করছে না? হে রাসূল! নিশ্চয়ই আপনার প্রতিপালক মানুষের অত্যাচার সত্তে¡ও তাদেরকে ক্ষমা করে দেন। তিনি তাদেরকে দ্রæত শাস্তি দেন না। যেন তারা আল্লাহর দিকে ফিরে আসতে পারে। তবে কুফরির উপর অটল ব্যক্তিদের জন্য যদি তারা তাওবা না করে তাহলে তিনি কঠিন শাস্তিদাতাও বটে।
وَيَقُولُ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لَوۡلَآ أُنزِلَ عَلَيۡهِ ءَايَةٞ مِّن رَّبِّهِۦٓۗ إِنَّمَآ أَنتَ مُنذِرٞۖ وَلِكُلِّ قَوۡمٍ هَادٍ
অর্থ: আর কাফিররা (হঠকারিতা করে) বলে: (সে যদি সত্যিই নবী হয়ে থাকে) ‘তার ওপর তার রবের পক্ষ থেকে কোনো নিদর্শন নাযিল হয় না কেনো?’ (হে রাসূল!) তুমি তো কেবল (আল্লাহর শাস্তির) ভীতি প্রদর্শনকারী। আর প্রত্যেক জাতির জন্য একজন হিদায়াতকারী (নবী) রয়েছে।
তাফসীর: ৭. যারা আল্লাহর সাথে কুফরি করেছে তারা আরো বেশি হঠকারিতা দেখিয়ে এবং আল্লাহর পথে আরো বেশি বাধা সৃষ্টি করে বলে: কেন মুহাম্মাদের উপর তার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে কোন নিদর্শন নাযিল হয়নি। যেমনিভাবে তা নাযিল করা হয়েছে মূসা এবং ‘ঈসা (আলাইহিমাস-সালাম) এর উপর। হে রাসূল! আপনি কেবল ভীতি প্রদর্শনকারী। আপনি মানুষকে আল্লাহর শাস্তির ভীতি প্রদর্শন করে থাকেন। আপনি সেই নিদর্শনেরই অধিকারী হবেন যা আল্লাহ তা‘আলা আপনাকে দিবেন। আর প্রত্যেক জাতিরই একজন নবী রয়েছেন যিনি তাদেরকে সত্যের পথ প্রদর্শন করবেন।
ٱللَّهُ يَعۡلَمُ مَا تَحۡمِلُ كُلُّ أُنثَىٰ وَمَا تَغِيضُ ٱلۡأَرۡحَامُ وَمَا تَزۡدَادُۚ وَكُلُّ شَيۡءٍ عِندَهُۥ بِمِقۡدَارٍ
অর্থ: আল্লাহ জানেন প্রত্যেক নারী তার গর্ভে যা ধারণ করে এবং গর্ভাশয়ে যা কমে ও বাড়ে। আর তাঁর নিকট প্রতিটি বস্তুরই এক নির্দিষ্ট পরিমাণ আছে।
তাফসীর: ৮. আল্লাহই ভালো জানেন প্রত্যেক মহিলা তার পেটে কী ধারণ করছে। তিনি সে ব্যাপারে সবকিছুই জানেন। তিনি আরো জানেন জরায়ুগুলোতে কী বেশ-কম এবং সুস্থতা ও অসুস্থতা ঘটছে। প্রতিটি বস্তু আল্লাহর নিকট এমনভাবে পরিমিত যা থেকে তিনি কম-বেশ করেন না।
عَٰلِمُ ٱلۡغَيۡبِ وَٱلشَّهَٰدَةِ ٱلۡكَبِيرُ ٱلۡمُتَعَالِ
অর্থ: (কেননা,) তিনি গায়িব (অদৃশ্য) ও প্রকাশ্যের জ্ঞানী, (তাঁর নামসমূহ, গুণাবলি ও কর্মসমূহে) সুমহান, (সত্তা ও গুণাবলিতে) সকল সৃষ্টির ঊর্ধ্বে।
তাফসীর: ৯. কেননা, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর সৃষ্টির ইন্দ্রিয়ের বাইরে যা আছে এবং তাদের ইন্দ্রিয়গুলো যা অনুভব করছে তা সবই তিনি জানেন। তিনি তাঁর নামসমূহ, গুণাবলী ও কর্মসমূহে মহান। তিনি তাঁর সত্তা ও গুণাবলীর মাধ্যমে তাঁর সকল সৃষ্টির ঊর্ধ্বে।
سَوَآءٞ مِّنكُم مَّنۡ أَسَرَّ ٱلۡقَوۡلَ وَمَن جَهَرَ بِهِۦ وَمَنۡ هُوَ مُسۡتَخۡفِۭ بِٱلَّيۡلِ وَسَارِبُۢ بِٱلنَّهَارِ
অর্থ: তোমাদের মধ্যে কেউ কথা গোপন রাখুক বা প্রকাশ করুক, আর রাতে লুকিয়ে করুক বা দিনে প্রকাশ্যে করুক, সবই তাঁর নিকট সমান (তিনি সবার সকল অবস্থা সম্পর্কে অবগত আছেন )।
তাফসীর: ১০. তিনি গোপন ও অতি গোপন সবকিছুই জানেন। হে মানুষ! তোমরা যে কথা লুকিয়ে বলো এবং যে কথা প্রকাশ্যে বলো তা সবই তাঁর জ্ঞানে সমান। তেমনিভাবে তাঁর জ্ঞানে সমান যে মানুষের চোখের আড়ালে রাতের অন্ধকারে গোপনে আর যে দিনের আলোতে প্রকাশ্যে আমলকারী।
অনুবাদ: রুওয়াদ অনুবাদ সেন্টার। তাফসীর: তাফসীর সেন্টার ফর কুরআনিক স্টাডিজ। উৎস QuranEnc.